Benefits of Drinking Aloe Vera Juice First Thing in the Morning

এলোভেরার উপকারিতা ও অপকারিতা নিয়ে আলোচনা করব। আমরা সবাই অ্যালোভেরার  সাথে পরিচিত।

মাদাগাস্কার এবং আফ্রিকার মরু অঞ্চলে অ্যালোভেরার  জন্ম হয়।

এটা হল একপ্রকার উদ্ভিদ প্রজাতি। যার মধ্যে ভেষজ গুন আছে। এলোভেরার অপর নাম ঘৃতকুমারী।

আমাদের বাড়ির আশেপাশে আমরা অ্যালোভেরা লাগিয়ে থাকি।

কিন্তু আমরা এর উপকারিতা সম্পর্কে জানিনা। আজ আমি এই নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব।

হৃদযন্ত্র এবং স্নায়ুতন্ত্রকে সচল রাখতে অ্যালোভেরা সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

মুখের ঘা এবং পেটে ব্যথা দূরীকরণে অ্যালোভেরা ব্যবহৃত হয়। প্রত্যেকের উচিত প্রতিদিন অ্যালোভেরার শরবত পান করা।

যাতে বিভিন্ন রোগ থেকে সহজেই মুক্তি পাওয়া যায়।

এলোভেরার নির্যাস এর শরবত কোষ্ঠকাঠিন্য রোগ দূরীকরণে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

আমি কয়েকদিন আগে বাজারে গিয়েছিলাম। তখন রাস্তায় এলোভেরার শরবত বিক্রি করতে একজন দোকানদার কে দেখেছিলাম।

এলোভেরার শরবত  ক্রয় করার জন্য  অনেক মানুষ  ভিড় করেছিল।

আর তা পান করা মানুষের জন্য খুবই ক্ষতিকর। তাই আমি পরামর্শ দিব আপনি নিজের বাসায় তৈরি করেন। 

অ্যালোভেরায় ম্যাঙ্গানিজ, সোডিয়াম, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, অ্যালুমিনিয়াম, ফলিক ও জিংক এসিড পাওয়া যায়।

আর তা একটি গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে। এলোভেরাতে বিশ রকমের খনিজ রয়েছে।

আমরা জানি প্রত্যেক মানুষের শরীরে বাইশটি অ্যামিনো এসিড আছে।

আর আটটি অ্যালোভেরার মধ্যে পাওয়া যায়। আর প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন পাওয়া যায়। আর তার মধ্যে রয়েছে ভিটামিন এ,বি, ডি 1, সি।

Contents hide

ঘৃতকুমারী খাওয়ার উপকারিতা। অ্যালোভেরার উপকারিতা

এলোভেরা জেল চুলে ব্যবহারের নিয়ম। চুলের সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে এলোভেরা

চুল সুন্দর রাখতে এলোাভেরা ব্যবহার করা হয়। মাথার খুশকি দূরীকরণে এলোভেরার বিক্লপ নেই।

ঝলমলে চুলের জন্য অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করতে পারে। তাই চুলের যত্নে এলোভেরা প্রতিদিন ব্যবহার করা উচিত।

ত্বক ভালো রাখতে এলোভেরা

ত্বক ভালো রাখতে এলোভেরা খুবই গুরত্বপূ্র্ণ ভূমিকা পালন করে।

ত্বকের জন্য এলোভেরাতে একটি বিশেষ উপাদান আছে। তার নাম হলো ইনফ্লামেটরি। 

ত্বকের ইনফেকশন দূরীকরণে এই  উপাদানটি অপরিহার্য ।

যার ফলে ব্রণ হওয়া থেকে আপনি রক্ষা পাবেন। আপনার ত্বকে কখনো ব্রণের দাগ হবে না ইনশাল্লাহ।

তাই ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে এলোভেরা ব্যবহার করতে পারেন।

মাংসপেশী এবং জয়েন্ট কে মজবুত রাখতে

মাংসপেশি এবং জয়েন্ট কে মজবুত রাখতে অ্যালোভেরা ব্যবহৃত হয়। এলোভেরার একটি জেল ক্রিম আছে।

আপনার যদি মাংসপেশিতে প্রচন্ড ব্যাথা হয়।

তাহলে অ্যালোভেরা জেল ক্রিম আপনার ব্যথা স্থানে লাগিয়ে দিবেন। আপনার ব্যথা তখন ধীরে ধীরে উপশম হবে।

আমি নিজেও তা ব্যবহার করেছিলাম।

আমি দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে ভালো ফলাফল পেয়েছিলাম। তাই আমি সবাইকে পরামর্শ দিব।আপনারা অ্যালোভেরা জেল ক্রিম ব্যবহার করুন।

হার্ট সবল রাখতে এলোভেরার উপকারিতা 

আমরা জানি প্রত্যেক মানুষের হার্ট বয়সের সাথে সাথে দুর্বল হয়ে যায়।

হার্টকে সবল ও সতেজ রাখতে আপনি এলোভেরা ব্যবহার করতে পারেন। প্রত্যেকের শরীরে কোলেস্টেরল আছে।

এর মাত্রা বেশি হলে তা শরীরের জন্য খুবই ক্ষতিকর। এলোভেরা শরীরে কোলেস্টেরল উপশম করে হার্টকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

ব্লাড প্রেসার শরীরের জন্য খুবই একটা গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

ব্লাড প্রেসার স্বাভাবিক না হলে আমাদের প্রেসার কমে অথবা বেড়ে যায়। যা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য বিপজ্জনক।

রক্ত সঞ্চালনে অ্যালোভেরা খুবই কার্যকরী। অ্যালোভেরা রক্ত সঞ্চালন কে স্বাভাবিক রাখে।

এবং এর মধ্যে অক্সিজেন বৃদ্ধি করে। ফলে, আমাদের হার্ট সুস্থ থাকে। প্রত্যেকের শরীরের রক্ত কণিকা আছে।

দূষিত রক্ত কে নষ্ট করে এবং রক্ত কণিকা বৃদ্ধিতে অ্যালোভেরা সহায়ক। পরিশেষে, আপনার হৃদপিণ্ড দীর্ঘদিন সুস্থ থাকে। 

ওজন হ্রাসে এলোভেরার উপকারিতা। অ্যালোভেরা জুস তৈরির নিয়ম। Benefits of Drinking Aloe Vera Juice First Thing in the Morning

আমরা অনেকেই মোটা সমস্যায় ভুগছি। এর জন্য আমরা অনেকেই ডায়েট করে থাকি।

অ্যালোভেরা জুস পেটের ভুরি কমিয়ে আপনাকে ফিট রাখতে সাহায্য করে। তাই পুষ্টিবিদরা অ্যালোভেরার জুস প্রতিদিন পান করার জন্য পরামর্শ দিয়ে থাকে।

আমাদের শরীরে মাঝে মাঝে মেদ জমে যায়। যা আমাদের শরীরের জন্য ভালো নয়।

মেদ কে কমিয়ে অ্যালোভেরা আমাদের মোটা হওয়া থেকে বাঁচায়। অ্যালোভেরা জুস তৈরির নিয়ম জানতে নিচের ভিডিওটি দেখুন।

দাঁত সুস্থ রাখতে এলোভেরার উপকারিতা 

আমাদের অনেকের দাঁত এবং মাড়ির মধ্যে ব্যথা থাকে। অ্যালোভেরার জুস পান করলে দাঁত এবং মাড়ির ব্যথা কমে যায়।

প্রত্যেকের দাঁতে কিছু না কিছু ইনফেকশন আছে। অ্যালোভেরার জুস পান করলে ইনফেকশন দূর হয়ে যাবে ইনশাল্লাহ। 

ক্লান্তি হ্রাসে অ্যালোভেরা

আমাদের শরীর মাঝে মাঝে দুর্বল হয়ে পড়ে। আপনি অ্যালোভেরার জুস প্রতিদিন পান করলে ওই দুর্বলতা থেকে কাটিয়ে উঠতে পারবেন।

ফলে  আপনি ভালো অনুভব করবেন। আপনার দেহ সতেজ থাকবে এবং প্রশান্তি অনুভব করবেন।

হজম শক্তি বৃদ্ধিতে অ্যালোভেরা

হজম শক্তি বৃদ্ধিতে অ্যালোভেরা জুস এর কোন বিকল্প নেই। যদি প্রতিদিন পান করেন তাহলে আপনার হজম শক্তি ভালোভাবে কাজ করবে। প্রত্যেকের শরীরের  অন্ত্র আছে।

এটা শরীরের হজম শক্তি বৃদ্ধিতে কাজ করে। অন্ত্র বৃদ্ধির জন্য আমাদের শরীরে এক প্রকার ব্যাকটেরিয়া আছে।

অ্যালোভেরার জুস ওই ব্যাকটেরিয়া বাড়ায়।  এবং আমাদের অন্ত্রে ব্যথা সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া কমিয়ে দেয়। ফলে, আমাদের হজম শক্তি বেড়ে যায়। 

কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধে অ্যালোভেরা

অ্যালোভেরার জুস একপ্রকার জেলের মাধ্যমে গঠিত হয়। ওই জেলে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ও ক্যালসিয়াম পাওয়া যায়।

তা নিয়মিত পান করলে আপনি পেটের সমস্যা থেকে  মুক্তি পাবেন। প্রায় বিশ থেকে একুশ রকমের এমিনো এসিড অ্যালোভেরা জেল এ পাওয়া যায়। এই এসিড গুলোর উপকারিতা অনেক।

প্রথমত, তা আপনার দূষিত ব্যাকটেরিয়া রোধ করে। দ্বিতীয় হজম শক্তি বাড়ায়।তৃতীয় বুকের জ্বালা কমায়।

তাই অ্যালোভেরা জুস প্রতিদিন পান করলে কোষ্ঠকাঠিন্য রোগ সেরে যায়।

রোগ-প্রতিরোধে এলোভেরার উপকারিতা 

অ্যালোভেরা কয়েকটি উপাদান নিয়ে গঠিত একটি উদ্ভিদ ।আর উপাদানগুলো হলো এন্টিমাইক্রোবিয়াল এবং এন্টিফাঙ্গাল।

তাই অ্যালোভেরা জুস নিয়মিত পান করলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেড়ে যায়। প্রত্যেকের শরীরের  টক্সিন আছে।

অ্যালোভেরার জুস ওই টক্সিন দূর করে এবং আমাদের সুস্থ রাখে।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে এলোভেরার উপকারিতা 

আমাদের প্রত্যেকের শরীরের রক্তে সুগার আছে। কারও কম কারও বেশি।

ওই সুগার নিয়ন্ত্রণ করতে অ্যালোভেরার জুস খুবই সহায়ক ভূমিকা পালন করে। আর এই জুস রক্ত সঞ্চালন কেউ সচল রাখে।

যদি আপনার ডায়াবেটিস হয়ে থাকে। তাহলে আপনি শুরুর দিকে প্রতিদিন অ্যালোভেরার জুস পান করুন। ইনশাআল্লাহ আপনার ডায়াবেটিস কমে আসবে। 

মুখের সুগন্ধ বৃদ্ধিতে এলোভেরার উপকারিতা 

অ্যালোভেরাতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি পাওয়া যায়। তা মুখের দুর্গন্ধ দূর করে।মুখের জীবাণু হ্রাস  করে।

মাঝে মা যে আমাদের মুখের মাড়ি ফুলে যায় এবং রক্ত পড়ে। যার ফলে আমরা প্রচন্ড ব্যথা অনুভব করি।

যুক্তরাষ্ট্রের এক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, অ্যালোভেরা জেল মুখ পরিষ্কারে খুবই চমৎকার ভূমিকা পালন করে।

তাই মুখের সুগন্ধ বৃদ্ধিতে অ্যালোভেরার কোন বিকল্প নেই।

মুখের ঘা ভালো রাখতে এলোভেরা

আমাদের মুখে মাঝে মাঝে ঘা হয়। তার কারণ হলো ভিটামিন বি এর অভাব।

মুখের ঘা ভালো রাখতে অ্যালোভেরা জেল খুবই সহায়ক ভূমিকা পালন করে। কয়েকদিন আগে আমার মুখে গাওয়া হয়েছিল।

তখন আমার মা আমাকে অ্যালোভেরা জেল আমার ঘা তে  লাগানোর পরামর্শ দিল। কয়েকদিন পর আমি এর ভালো ফলাফল পেয়েছি।

আমার ঘা সম্পূর্ণ ভালো হয়ে গিয়েছে। তাই এলোভেরা জেল মুখের ঘা তে  ব্যবহার করুন। ইনশাআল্লাহ আপনার মুখের ঘা ভালো হয়ে যাবে।

ক্যান্সার হ্রাসে এলোভেরার উপকারিতা 

অ্যালোভেরার মধ্যে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান আছে। উপাদান টির নাম হল অ্যালো ইমোডিন।

এই উপাদানটি মেয়েদের স্তন ক্যানসার হতে রক্ষা করে।

এবং ক্যান্সার হওয়ার প্রবণতা অনেকটা কমিয়ে দেয়। তাই ক্যান্সার হ্রাসে অ্যালোভেরা খুবই সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

চর্মরোগ ও ক্ষত প্রতিরোধে অ্যালোভেরা

চর্মরোগ ও ক্ষত প্রতিরোধে অ্যালোভেরার জুস এর কোনো বিকল্প  নেই।

আপনি যদি নিয়মিত পান করেন, তাহলে আপনার চর্মরোগ ক্ষত সেরে যাবে ইনশাআল্লাহ। তবে আপনাকে দীর্ঘদিন ধরে তা পান করতে হবে।

তাই আপনি যদি প্রতিদিন এলোভেরা ব্যবহার করেন। তাহলে অবশ্যই আপনি এর ভালো ঊপকারিতা পাবেন।

কিন্তু আমাদের একটা জিনিস মাথায় রাখতে হবে। প্রত্যেক বস্তুর একটি খারাপ এবং একটি ভালো দিক আছে।

তদ্রুপ অ্যালোভেরার ভালো ও খারাপ দিক আছে। তাই আপনি সঠিকভাবে এলোভেরা ব্যবহার করতে হবে।

আমাদের অনেকেই এর খারাপ দিক না জেনেই ব্যবহার শুরু করে দেয়।

কিন্তু এটা মোটেও উচিত নয়।তবে আমি এর কিছু খারাপ দিক নিয়ে আলোচনা করব।  যাতে আপনার সতর্ক হয়ে যেতে পারেন।

প্রত্যেকের শরীরের শর্করা আছে। এই গাছটির এন্টিবায়োটিক এর প্রভাবে  ওই  শর্করা কমে যেতে পারে।

অ্যালোভেরার মধ্যে আরেকটি উপাদান আছে। যার নাম হল অ্যালো ল্যাটেক্স।দীর্ঘদিন ব্যবহারের ফলে ল্যাটেক্স এর মাত্রা বেড়ে যায়। যা শরীরের জন্য খুবই ক্ষতিকর। এর কিছু ক্ষতিকর দিক আলোচনা করব। 

  1. ডায়রিয়া এবং কিডনি সমস্যায় ভুগতে পারেন।
  2. পেশী দুর্বল হয়ে যেতে পারে।
  3. এমনকি কিডনি ফেইলিউর ঝুঁকি থাকতে পারে।
  4. অ্যালো ল্যাটেক্স খাওয়ার ফলে বাচ্চারা ডায়রিয়া অথবা পেট ব্যথায় ভুগতে পারে।
  5. গর্ভের বাচ্চা নষ্ট হয়ে যাবে।
  6. আর কোন শিশু সন্তানের মা যদি এই অ্যালো ল্যাটেক্স খায়।ফলে, এর ক্ষতিকর প্রভাব সন্তান ভুগছে।

এক গবেষণায় দেখা গেছে, এই অ্যালোভেরা জেল টি নিরাপদ তখন, যখন শরীরের চামড়ায় ব্যবহার করা হয়। অথবা কোন ঔষধ হিসেবে ব্যবহার করলে।

এলোভেরার অপকারিতা। এলোভেরার ক্ষতিকর দিক

আমরা প্রত্যেকেই জানি যে যদি একটি জিনিসের ভালো দিক থাকে পাশাপাশি এর খারাপ দিকও আছে।

এতক্ষণ আমরা অ্যালোভেরার উপকারিতা সম্পর্কে আপনাদের সামনে উপস্থাপন করার চেষ্টা করেছি। এখন এর অপকারিতা নিয়ে কিছু বিষয় আলোচনা করব।

  1. অতিরিক্ত অ্যালোভেরার জুস পান করা অথবা শরীরে ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন।
  2. যদি অতিরিক্ত ব্যবহার করেন, তাহলে আপনার প্রসাব এ সমস্যা হতে পারে।
  3. আপনার যতটুকু প্রয়োজন ঠিক ততটুকুই অ্যালোভেরা খাবেন, অন্যথা আপনার ডায়রিয়া সমস্যার সম্মুখীন হবেন।
  4. অতিরিক্ত অ্যালোভেরা ব্যবহার করলে এলার্জি ঘটিত রোগ যেমন চামড়ায় রেশ ও দাঁদ ইত্যাদি হতে পারে। তাই যারা এলার্জি সমস্যায় ভুগছেন, তারা অ্যালোভেরা থেকে দূরে থাকাটাই উত্তম।
  5. এছাড়া শ্বাস নিতে অসুবিধা, বুকে ও ঘাড়ে ব্যথা এ সকল সমস্যা হতে পারে।
  6. গাছটিতে ল্যাটেক্স থাকায় বিভিন্ন প্রকার সমস্যা যেমন কোলাইটিস, কোলন ডিজিজ, ডাইভারটিটুলসিস, ক্ষুদ্রান্তের রোগ, আলসার, অর্শ এবং লিভার সিরোসিস ও হেপাটাইটিস হতে পারে।
  7. গর্ভবতী মহিলা এবং 12 বছরের কম বয়সী ছেলেমেয়েদের পক্ষে এটি সেবন করা কখনোই নিরাপদ নয়।
  8. এলোভেরাতে লেনেটিভ অ্যান্থারোকুনোন বেশী থাকায় পেট ব্যথা এবং ডিহাইড্রেশন ইত্যাদি সমস্যা দেখা দিতে পারে।
  9. যাদের গ্যাসের সমস্যা এবং আন্ত্রিক রোগে ভুগছেন, তারা বেশি পরিমাণ এলোভেরা খেলে দেহের জটিল সমস্যা হতে পারে।
  10. অপরিশোধিত অ্যালোভেরা ডিহাইড্রেশন এবং মূত্রের রং বাদামী অথবা লাল করে দিতে পারে।
  11. অতিরিক্ত অ্যালোভেরা অনিয়মিত হার্টবিটের সৃষ্টি করে, এডরিলীনের মাত্রা বাড়িয়ে হৃদপিন্ডের ক্ষতি করে এবং দেহে পটাশিয়ামের মাত্রা কমিয়ে দেয়।
  12. চিকিৎসাধীন অবস্থায় এলোভেরা খেলে মারাত্তক সাইড ইফেক্ট দেখা দিতে পারে, তাই তা ব্যবহার হতে সাবধান।
  13. দীর্ঘদিন অ্যালোভেরা খেলে আন্ত্রিক ক্যান্সারের সম্ভাবনা বাড়িয়ে তোলে।
  14. ডাক্তারের চিকিৎসাধীন ডায়াবেটিস রোগীরা অ্যালোভেরা খেলে সুগারের মাত্রা বেশি কমে যেতে পারে।
  15. অতিরিক্ত অ্যালোভেরা কিডনির মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে।
  16. অ্যালোভেরা দেহের ওজন কমিয়ে দেয় এবং কোষ্ঠকাঠিন্য রোগ সৃষ্টি করে।

আশাকরি এলোভেরার ক্ষতিকর দিকগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জেনেছেন।

এলোভেরা চাষ পদ্ধতি

অ্যালোভেরার চাষ পদ্ধতি জানতে নিচের ভিডিওটি দেখুন। আমার মনে হয় ব্যবহারিকভাবে দেখানোটাই সবচেয়ে মুখ্য বিষয়।

আশা করি আপনারা অ্যালোভেরার খারাপ দিক সম্পর্কে শুনেছেন।সঠিক মাত্রায় ব্যবহার করলে আপনি অ্যালোভেরার উপকারিতা অবশ্যই পাবেন।

আশা করি আপনারা অ্যালোভেরার উপকারিতা বুঝতে পেরেছেন। আর যদি কোন প্রশ্ন থাকে, অবশ্যই কমেন্টে জানিয়ে দিবেন।

পাশাপাশি আমাদের Foodtips24 ওয়েবসাইটের সাথে যুক্ত থাকুন। এবং আমাদের ফেসবুক পেইজ এবং গুগল নিউজ পেইজটি অনুসরণ করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!