বাংলালিংক সিম বন্ধ করার নিয়ম জেনে নিন

বাংলালিংক সিম বন্ধ করার নিয়ম জানতে হলে সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন। বাংলাদেশের বিখ্যাত মোবাইল সিম অপারেটরগুলোর মধ্যে বাংলালিংক একটি।

আরো পড়ুনঃ টেলিটক নাম্বার দেখার উপায়।    

অনেক সময় দেখা যায় আমরা আমাদের বাংলালিংক সিম ব্যবহার করতে চাই না অর্থাৎ আমরা একটি নতুন সিমে যেতে চাই।

কিন্তু এজন্য আমাদের বাংলালিংক সিমটি বন্ধ করতে হয়। আর তা আমরা অনেকেই জানিনা।

আপনি যদি একজন বাংলালিংক গ্রাহক হয়ে থাকেন, সিমটি যদি বন্ধ করতে চান,

তাহলে অবশ্যই আপনাকে বাংলালিংক সিম বন্ধ করার নিয়ম জানতে হবে।

আজকের এই আর্টিকেলের বাংলালিংক সিম বন্ধ করার নিয়ম  নিয়ে সম্পূর্ণ আলোচনা করবেন ইনশাল্লাহ।

আপনারা দুইটি পদ্ধতি অনুসরণ করে বাংলালিংক সিম বন্ধ করতে পারবেন। একটি হলো সাময়িকভাবে বন্ধ করা।

আর অন্যটি হলো স্থায়ীভাবে বন্ধ করা। এই দুটি পদ্ধতি আজ আমি আলোচনা করব।

আপনারা যদি এই দুটি নিয়ম মেনে বন্ধ করতে সমস্যার সম্মুখীন হন, তাহলে অবশ্যই কমেন্টে জানিয়ে দিবেন।

ইনশাল্লাহ এর সমাধান করার চেষ্টা করব। তাহলে আসুন প্রথমে জেনে নেই কিভাবে সাময়িকভাবে বাংলালিংক সিম বন্ধ করবেন।

তবে আপনাদের সুবিধার্থে একটি জিনিস বলে দেই আপনারা সাময়িক এবং স্থায়ীভাবে বাংলালিংক সিম বন্ধ করতে হলে ভিন্নভাবে দুটি পদ্ধতি অনুযায়ী বন্ধ করতে হবে।

তাই আজ আমি বাংলালিংক সিম বন্ধ করার দুইটি পদ্ধতি তথ্যবহুল আলোচনা করার চেষ্টা করব যাতে আপনাদের কোনো সমস্যা না হয়।

তবুও যদি আপনার মনে হয় এই নিয়ম মেনে আপনি বাংলালিংক সিম বন্ধ করতে পারবেন না।

তাহলে অবশ্যই বাংলালিংক হেল্পলাইন নাম্বারে ফোন করে তাদের কাছ থেকে সাহায্য নিতে পারেন।

তাহলে আসুন বাংলালিংক সিম বন্ধ করার নিয়ম জেনে নেই। 

সাময়িকভাবে বাংলালিংক সিম বন্ধ করার নিয়ম জেনে নিন

আমাদের মধ্যে বাংলালিংক সিমের অনেক গ্রাহক আছে যারা সাময়িকভাবে তার সিমটি বন্ধ করতে চায়।

আপনি যদি সেই গ্রাহক হয়ে থাকেন, তাহলে আপনাকে বেশি পরিশ্রম করতে হবে না।

এর জন্য প্রথমেই বাংলালিংক হেল্পলাইন নাম্বারে কল করবেন। 

এখন আপনারা আমাকে বলতে পারেন ভাই বাংলালিংক হেল্পলাইন নাম্বার কোথায় পাব? আপনাদের সুবিধার্থে আমি বলে দিচ্ছি।

আর এই হেল্পলাইন নাম্বার হলো ১২১। এই নাম্বারে কল দেওয়ার পর সেবাপ্রদানকারীকে আপনার সিমের নাম্বারটি সাময়িকভাবে বন্ধ করার বলবেন।

তবে একটি জিনিস মাথায় রাখবেন এই সিমটি বন্ধ করতে হলে অবশ্যই আপনাকে মালিকানা যাচাই করতে হবে।

তাই আপনি সিম এর প্রকৃত মালিক হতে হবে। তবে শুধু বাংলালিংক সিমের ক্ষেত্রে নয় তা বাংলাদেশের যেকোন অপারেটরের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

অর্থাৎ আপনি যদি এয়ারটেল সিম বন্ধ করতে চান, তাহলে অবশ্যই সিমের মালিকানা যাচাই করা হবে। আশা করি বিষয়টি বুঝতে পেরেছেন।

তাই সিমটি বন্ধ করার সময় হেল্পলাইন ম্যানাজার মালিকানা যাচাই করতে কিছু ইনফরমেশন চাইবে।

যে ব্যক্তির এনআইডি দিয়ে সিম নিবন্ধিত করা হয়েছে তাকে অবশ্যই মোবাইলে যোগাযোগ করতে হবে।

পাশাপাশি আপনাকে জাতীয় পরিচয় পত্রের কিছু তথ্য জিজ্ঞাসা করা হবে। এই তথ্যগুলো হেল্পলাইন ম্যানাজারকে দিতে হবে।

এগুলো হলো এনআইডি কার্ডের নাম্বার, জন্ম তারিখ এবং পোস্টাল কোড ইত্যাদি।

এই সকল ইনফরমেশন সঠিকভাবে হেলপ্লাইন ম্যানেজারকে প্রদান করার পর আপনার সিমটি সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যাবে।

তবে একটি জিনিস মাথায় রাখবেন আপনি যদি পুনরায় সচল করতে চান, তাহলে আবারও সার্ভিস ম্যানেজারকে কল করবেন এবং তার সাথে পুনরায় এ ব্যাপারে আলোচনা করবেন।

স্থায়ীভাবে বাংলালিংক সিম বন্ধ করার নিয়ম জেনে নিন

বাংলালিংক সিম বন্ধ করার নিয়ম

বাংলালিংক সিম বন্ধ করার নিয়ম

অনেক সময় দেখা যায় আমরা আমাদের বাংলালিংক সিমটি স্থায়ীভাবে বন্ধ করতে চাই।

আর আপনি যদি সেই গ্রাহক হয়ে থাকেন, তাহলে অবশ্যই নিচের নিয়মটি মেনে আপনাকে বন্ধ করতে হবে।

আমি ইতিপূর্বে আলোচনা করেছি কিভাবে সাময়িকভাবে আপনার সিমটি বন্ধ করবেন। আর সেটা আপনি ঘরে বসেই করতে পারবেন।

কিন্তু স্থায়ীভাবে বন্ধ করতে হলে আপনাকে নিকটস্থ হেলপ্লাইন কেয়ারে অবশ্যই যেতে হবে।

এবং হেলপ্লাইন ম্যানেজারকে বলতে হবে আপনি সিমটি স্থায়ীভাবে বন্ধ করতে চান।

তবে আপনার সাথে কিছু তথ্য নিয়ে যেতে হবে। এগুলো হল আপনি যেই এনআইডি কার্ড দিয়ে সিম নিবন্ধিত করেছেন সেই এনআইডি কার্ড সাথে থাকতে হবে।

পাশাপাশি যে ব্যক্তির এনআইডি কার্ড দ্বারা সিমটি নিবন্ধিত করেছেন তাকেও সাথে নিয়ে যেতে হবে।

তবে আপনি নিজে হলে তো কাউকে নিয়ে যাওয়ার দরকার নেই। হেলপ্লাইন কেয়ার ম্যানেজার আপনার কাছ থেকে জাতীয় পরিচয়পত্র চাইবে সিমের মালিকানা যাচাই করতে।

অর্থাৎ বায়োমেট্রিক নিবন্ধন অনুযায়ী আপনি সিমের মালিক কিনা তা চেক করা হবে।

পাশাপাশি যার নামে সিম নিবন্ধিত করা হয়েছে তার ফিঙ্গারপ্রিন্ট ও লাগবে।

তাই এ সকল বিষয় মাথায় রেখে বাংলালিংক সিম স্থায়ীভাবে বন্ধ করার জন্য হেল্পলাইন কেয়ারে যাবেন।

বাংলালিংক সিম বন্ধ করার নিয়ম গুলির মধ্যে একটি জিনিস আপনার মাথায় রাখতে হবে।

আপনি চব্বিশ ঘন্টায় একটি মাত্র সিম স্থায়ীভাবে বন্ধ করার অনুমতি পাবেন।

এখন আপনারা আমাকে বলতে পারেন ভাই আমরা একাধিক সিম কিভাবে বন্ধ করব? এর উত্তর আমি বলবো আপনারা একদিন পর পর একটি করে একাধিক সিম স্থায়ীভাবে বন্ধ করতে পারবেন।

আশা করি বিষয়টি বুঝাতে পেরেছি। অর্থাৎ চব্বিশ ঘন্টার ভিতরে একটি বাংলালিংক সিমের বাহিরে একাধিক স্থায়ীভাবে বন্ধ করতে পারবেন না। 

আশা করি আজকের এই আর্টিকেল থেকে কিভাবে বাংলালিংক সিম বন্ধ করতে হয় তা জানতে পেরেছেন।

তারপরও যদি আপনারা সমস্যার সম্মুখীন হন, তাহলে আমি আপনাদেরকে পরামর্শ দিব আপনারা বাংলালিংক হেল্পলাইন নাম্বারে যোগাযোগ করুন।

অথবা আপনাদের নিকটস্থ কোনো বাংলালিংক হেলপ্লাইন কেয়ারে গিয়ে আপনার সমস্যার কথা বলুন কেন বাংলালিংক সিম টি বন্ধ হচ্ছে না?

আর আপনি তাদের সাথে বিস্তারিত আলোচনা করুন। আশা করি তারাই আপনার সিমের বন্ধের কার্যক্রম সম্পন্ন করবে। এবং আমাদের ফেসবুক পেইজের সাথে যুক্ত থাকুন।

কয়টি পদ্ধতিতে বাংলালিংক সিম বন্ধ করা যায়?

দুইটি পদ্ধতিতে বাংলালিং সিম বন্ধ করা যায়। একটি হলো সাময়িকভাবে সিম বন্ধ করে এবং অপরটি স্থায়ীভাবে সিম বন্ধ করা।

কীভাবে বাংলালিংক কাস্টমার কেয়ারে যোগাযোগ করব?

এই 01911304121 নাম্বারে কল দিয়ে তাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। অথবা এই 01950111111 যোগাযোগ করুন।

চব্বিশ ঘন্টায় কয়টি সিম স্থায়িভাবে বন্ধ করা যাবে?

চব্বিশ ঘন্টায় একটি সিম স্থায়িভাবে বন্ধ করতে পারবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.