ইসলামের দৃষ্টিতে পর্দার হুকুম ও নারীর মর্যাদা।

আজ আমি ইসলামের দৃষ্টিতে পর্দার হুকুম ও নারীর মর্যাদা নিয়ে আলোচনা করব। প্রথমে আমি আপনাদের সাথে পর্দার হুকুম তারপর নারীর মর্যাদা নিয়ে আলোচনা করব।

আমরা সবাই জানি ইসলাম হল একটি পরিপূর্ণ জীবন ব্যবস্থা যা আমাদেরকে প্রত্যেকের অধিকার সমানভাবে দিয়ে থাকে। 

তাই তা একটি চিরন্তন এবং শাশ্বত এবং আল্লাহর পক্ষ থেকে মনোনীত ধর্ম।

ইসলাম নারীকে সকল প্রকার সম্মান ও মর্যাদা প্রদান করেছে।

আরো পড়ুনঃতারাবির নামাজ সুন্নত নাকি নফল

তাদের সকল অধিকার নিশ্চিত করেছে। পাশাপাশি তাদের সতীত্ব রক্ষা এবং মর্যাদা নিশ্চিত করার জন্য রয়েছে বিভিন্ন নিয়ম কানুন।

তাই নারীদের সতীত্ব সম্মান এবং মর্যাদা বাঁচাতেই ইসলামে রয়েছে পর্দা বা হিজাবের বিধান। একজন নারীর মর্যাদা ও সৌন্দর্যের মাপকাঠি হিসেবে পর্দা বা হিজাবকে গণ্য করা হয়।

পাশাপাশি সতীত্ব এবং ইজ্জতের রক্ষাকবচ ও বলা হয়। এই পর্দা আমাদের নারী-পুরুষ উভয়ের চরিত্র হেফাজত করে।

আমরা যদি আল্লাহর বিধান পালন করি তাহলে মনে প্রশান্তি লাভ করতে পারব এবং আমাদের চরিত্র হেফাজত করতে পারব।

তাই আল্লাহ তাআলা কুরআনে ইরশাদ করেন, এই বিধান তোমাদের এবং তাদের অন্তরের জন্য বেশি পবিত্রতার কারণ।

এই আয়াতটি সূরা আহযাব থেকে নেওয়া হয়েছে। আয়াত নাম্বার হলো ৫৩। এই পর্দা বিধান করার একটাই কারণ তা হলো সমাজের অশ্লীলতা, ব্যভিচার এবং অনিষ্টতা থেকে রক্ষা পাওয়া।

ইসলামের দৃষ্টিতে পর্দার হুকুম ও নারীর মর্যাদা

বর্তমান ফেতনা-ফাসাদ থেকে নিজেদের রক্ষা করার একটি মাধ্যম হলো পর্দা।

তবে একটি জিনিস মাথায় রাখবেন এই পর্দা নারীদের প্রতি অবিচার অথবা তাদের অধিকার ক্ষুন্ন করার জন্য আরোপ করা হয়নি।

বরং তাদের পবিত্রতা ওসস্তিত্ব রক্ষার জন্য আল্লাহ তাআলা এই পর্দা ফরজ করেছেন।

তাই এ ব্যাপারে আল্লাহ তাআলা কুরআনে ইরশাদ করেন, আল্লাহ তো কেবল চান তোমাদের থেকে অপবিত্রতাকে দূর করতে।

এবং তোমাদেরকে সম্পূর্ণরূপে পবিত্র করতে তা সূরা আহযাবের ৩৩ নম্বর আয়াত।

এজন্য পর্দা বা হিজাব আমাদের সমাজ ব্যবস্থায় নারী এবং পুরুষ উভয়ের জন্য একটি ইহসান।

কেননা এটার মাধ্যমে আমরা আমাদের চরিত্র রক্ষা করতে পারি।  এই শরীয়ত বিধানটি ইসলামী জীবন ব্যবস্থার পূর্ণাঙ্গ এবং সর্বকালের জন্য স্বীকৃত একটি বিধান।

মানবজাতিকে অপবিত্রতা এবং অনিষ্টতা থেকে রক্ষা করতে পর্দার কোন বিকল্প নেই। বর্তমান সময়ে ছেলে এবং নারী উভয়ের জন্যই প্রযোজ্য। আমি বলব সময়ের দাবি বলে আখ্যা দেয়া যেতে পারে। 

পর্দার পরিচিতি জেনে নিন ( ইসলামের দৃষ্টিতে পর্দার হুকুম ও নারীর মর্যাদা)  

আমরা পর্দা শব্দটাকে অনেকেই বাংলা পড়ে থাকি আসলে তা সঠিক নয় আসলে পর্দা হলো একটি ফারসি শব্দ। এর আরবি শব্দ হলো হিজাব।

হিজাব অথবা পর্দার শাব্দিক অর্থ হল আবৃত করা, ঢেকে রাখা,আবরণ,আড়াল ও অন্তরালে থাকা। অর্থাৎ গোপন রাখা বলা যেতে পারে।

পারিভাষিক সংজ্ঞায় বলা যেতে পারে, ছেলে এবং মেয়ে উভয়ের চরিত্রকে রক্ষা করার জন্য শরীয়ত থেকে যে আবরণ অথবা আড়ালের কথা বলা হয়েছে তাকেই পর্দা হিসেবে গণ্য করা হয়।

আবার অনেকে বলেন, নারী তার ভিতরে এবং বাহিরের সৌন্দর্য একটি ছেলের কাছ থেকে আড়াল করার জন্য ইসলামী বিধান বলা হয়েছে তাকেও পর্দা বলা হয়।

মূলত হিজাব অথবা পর্দা শুধু মানুষের পোশাকের জন্য নয় এটা হচ্ছে একটি সমাজ ব্যবস্থা যা আমাদের উপর আরোপ করেছে। 

এই বিধানের মাধ্যমে আমাদের চরিত্রকে কলুষিত থেকে রক্ষা করতে পারি। অপবিত্র এবং অবৈধ সম্পর্ক থেকে নিজেদের বাচাতে পারি। 

পর্দার বিধান জেনে নিন

আল্লাহ তা’আলা পর্দা করা ফরজ করেছেন। নামাজ, রোজা, হজ, যাকাত এর মত ফরজ বিধান গুলোর মতই পর্দা একটি।

এই বিধান আল্লাহ তা’আলা মানব জাতির উপর করেছেন। এই  ব্যাপারে আল্লাহ তারা ইরশাদ করেন যখন তোমরা  নারীদের নিকট থেকে কিছু চাইবে।

তখন  আবরণের আড়াল থেকে চাইবে। এই বিধান নারী-পুরুষ উভয়ের অন্তরের জন্য অধিকতর পবিত্রতার কারণ।

এই বিধানকে সম্পূর্ণভাবে পালন করাই হচ্ছে ঈমানের দাবি হিসেবে গণ্য করা হয়। এই বিধানকে ছেড়ে দেওয়ার কোন সুযোগ নেই। 

আপনি যদি একজন মুসলিম হয়ে থাকেন তাহলে অবশ্যই পর্দার বিধান মানতে হবে।

পর্দার বিধান শুধু মুসলিমদের উপর এমনটা নয় সমগ্র মানবজাতির জন্য একটি পরিপূর্ণ জীবন ব্যবস্থা।

ইসলামী শরীয়তে এর বিরুদ্ধে বলার কোনো সুস্পষ্ট অধিকার নেই।

আর যে ব্যক্তি আল্লাহ ও তাঁর রাসূল কে অমান্য করেই সে অবশ্যই পদের অন্তর্ভুক্ত। 

পর্দার গুরুত্ব জেনে নিন ( ইসলামের দৃষ্টিতে পর্দার হুকুম ও নারীর মর্যাদা)

পর্দার গুরুত্ব অপরিসীম আর আমরা সবাই তা উপলব্ধি করি যদিও আমাদের মধ্যে অধিকাংশই পর্দার বিধান মানতে বাধ্য। 

এ ব্যাপারে আল্লাহতালা ইরশাদ করেন, হে রসূল আপনি আপনার সহধর্মিনী, দুহিতা ও মুমিন নারীদেরকে বলুন তারা যেন তাদের জিল্বারের একাংশ নিজেদের উপর টেনে দেয়।

এতে তাদেরকে চেনা সহজ হবে ফলে তাদেরকে বিরক্ত করা হবে না।

আল্লাহ ক্ষমাশীল এবং পরম দয়ালু। এই আয়াতটি সূরা আহযাবের ৫৯ নম্বর আয়াত।

এ আয়াত থেকে আমরা বুঝতে পারি যে, আমাদের মা বোনেরা পর্দার সাথে চলাফেরা করতে হবে।

এর গুরুত্ব এই আয়াতে বলা হয়েছে। অন্যদিক দিয়ে যে নারীরা পর্দা সঙ্গে রাস্তায় চলাফেরা করবে। তারা ভদ্র এবং চরিত্রবতী নারী হিসেবে গণ্য করা হয়।

এর ফলে কি হবে তারা কখনো বিরক্ত হবে না অন্য কারো দ্বারা। আসলেই কথাটি তিক্ত হলেও সত্য যে যারা বর্তমান যুগে পর্দা ছাড়া চলাফেরা করে তারা অধিকাংশই উত্ত্যক্তের শিকার  হয়। 

পাশাপাশি ধর্ষণের ঘটনাও ঘটে থাকে। রাস্তায় তারাই অপমানের শিকার হয়। তাই একজন নারীর সতীত্ব রক্ষার জন্য পর্দার কোন বিকল্প নেই।

হাদিসে ও পর্দার প্রতি বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। হযরত মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, মহিলারা পর্দার মধ্যে থাকার বস্তু।

যখন সে পর্দা ছাড়া বের হয়, তখন শয়তান তার দিকে কুনজরে তাকায়। এই হাদীসটি হযরত আবদুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু তা’আলা বর্ণনা করেছেন। 

অপর এক হাদিসে বর্ণিত আছে যে,হযরত আলী রাদিয়াল্লাহু তালা বলেন, একদা তিনি হযরত মোহাম্মদ সাঃ এর কাছে ছিলেন।

তখন হযরত মুহাম্মদ সাঃ সবাইকে উদ্দেশ্য করে বলেন নারীদের জন্য সর্বোত্তম বিষয় কোনটি? তখন সবাই নিরব হয়ে গেল।

কেউ উত্তর দিতে পারল না। তখন আলী রাদিয়াল্লাহু তা’আলা বাড়িতে ফিরে তার সহধর্মিণী ফাতেমাকে বললেন, নারীদের জন্য সর্বোত্তম বিষয় কোনটি?

তখন তার স্ত্রী ফাতেমা উত্তরে বললেন যে কোন পর পুরুষ নারীকে কখনো দেখবেন না। অর্থাৎ নারীরা সর্বদা পর্দার ভিতর থাকবে।

তারপর তিনি বলেন, আমি এই উত্তরটি রাসুল সাঃ এর নিকট পেশ করলাম।

তখন রাসূল সাল্লাহু সাল্লাম বলেন নিশ্চয়ই ফাতেমা আমার অংশ। 

সেই সত্য কথা বলেছে। তাই আমরা উপরের দুইটি হাদিস থেকে বুঝতে পারি যে, পর্দার গুরুত্ব অপরিসীম। পরিবেশের দিক দিয়ে বিবেচনা করলে তা সময়ের দাবি হয়ে দাঁড়িয়েছে। 

আমাদের বর্তমান যুগে সবচেয়ে বেশি নারীরা অপমানিত হয়ে পর্দা না করার কারণে। আর তা আমরা সংবাদপত্র মাধ্যমগুলো পড়লেই বুঝতে পারি।

যাইহোক আমি যেটা বুঝাতে চেয়েছি প্রত্যেক নারীর পর্দা করা উচিত তাদের সতীত্ব রক্ষার জন্য।

যে ব্যক্তি আল্লাহর বিধান পর্দা করে তার জীবনটাকে পরিচালনা করবে, সে আল্লাহর নিকট সর্বাধিক সম্মানিত।

বিশেষ করে মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন পর্দাশীলদের ভালোবাসেন।

কুরআনে ইরশাদ করা হয়েছে যে ব্যক্তি  আল্লাহর তাকওয়া অবলম্বন করে, সেই সর্বোচ্চ সম্মানিত ব্যক্তি। আর ওই ব্যক্তি তাকওয়া অবলম্বন করে, যে ব্যক্তি আল্লাহর নির্দেশ মেনে চলে।

আমরা একটা জিনিস বলতে পারি যে পর্দার বিধান হচ্ছে আল্লাহর একটি নির্দেশ।  এ বিধান যে পালন করবে সে আল্লাহর কাছে মোত্তাকি হিসেবে গণ্য করা হবে।

আমরা যদি একটু গভীরভাবে উপলব্ধি করি তাহলেই বুঝতে পারি যে পর্দা আমাদের নারী পুরুষ উভয়ের জন্য একটি কল্যাণ স্বরূপ কেননা এর মাধ্যমে আমরা আমাদের চরিত্র রক্ষা করতে পারি।

আরেকটি বিষয় হলো একজন নারী পুরুষ যদি পর্দা অবলম্বন করে, তাহলে স্বামী তার স্ত্রী, স্ত্রী তার স্বামীর সাথে সম্পর্ক চিরস্থায়ী হয়। 

পর্দাহীনতার পরিণতি জেনে নিন

পর্দাহীনতার পরিণতি ইহকাল এবং পরকাল এই ভয়াবহ।  আমরা দেখতে পাই যে নারী পর্দা ছাড়া চলে সে বিভিন্ন নিকৃষ্ট কাজের শিকার হয়।

এর জন্য ছেলে এবং মেয়ে উভয়েই দায়ী।  তবে নারীর পর্দা করে চলে তাহলে ইহকালে শান্তি এবং পরকালে মুক্তি লাভ করবে।

এই ব্যাপারে রাসূল সাঃ ইরশাদ করেন, তোমাদের সহধর্মীনিদের মধ্যেই সেই সর্বনিকৃষ্ট যে পর্দা ছাড়া রাস্তায় চলাফেরা করে।

এই হাদীস থেকে বোঝা যায় যারা উন্নত চরিত্রের অধিকারী তারা কখনোই পর্দা ছাড়া রাস্তায় চলাফেরা করতে পারবে না। 

অপর এক হাদীসে বর্ণনা করা হয়েছে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেই নারীদেরকে লাঞ্ছিত করেছেন।

অন্য এক হাদীসে হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু তা’আলা বলেন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, সেসব মহিলাদেরকে অপমানিত করেছেন। 

যারা পুরুষের মত পোশাক পড়ে রাস্তায় চলাফেরা করে। অর্থাৎ পর্দা ছাড়া যাদের চলাফেরা। পাশাপাশি পর্দাহীনতার কারণেই আল্লাহর নির্দেশ অমান্য করা।

এই কারণেই পরকালে তাদের জন্যে রয়েছে যন্ত্রনাদায়ক শাস্তি। আসুন জেনে নিই, ইসলামের দৃষ্টিতে নারীর মর্যাদা। 

ইসলামের দৃষ্টিতে নারীর মর্যাদা

 ইসলামের দৃষ্টিতে পর্দার হুকুম ও নারীর মর্যাদা
ইসলামের দৃষ্টিতে পর্দার হুকুম ও নারীর মর্যাদা

ইসলাম একজন নারীকে সর্বোচ্চ মর্যাদা প্রদান করেছে। জাহিলিয়াতের যুগে যখন ইসলাম ছিলনা তখন নারীদেরকে সামাজিকভাবে কোন সম্মান দেওয়া হতো না।

বরং তাদেরকে অবহেলা করা হতো। নারীদের উপর করা হতো অমানবিক অত্যাচার।

আমরা যদি জাহিলিয়াতের যুগে তাকাই তাহলে বুঝতে পারি যে নারীর মর্যাদা প্রদানে ইসলামের ভূমিকা।

ওই যুগে আমরা দেখতে পাই যে, যদি কারো কন্যা সন্তান জন্ম হতো।

তাকে জীবন্ত কবর দেওয়া হত যা ছিল সেখানকার দৈনন্দিন ঘটনা।

তখনকার সময়ে মেয়ে সন্তান জন্ম দেওয়া কে অপমান হিসেবে আখ্যা দেওয়া হতো। আর তখনকার রাঘববোয়ালরা বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে মেয়েদেরকে জীবন্ত হত্যা করে ফেলত।

আর ইসলাম ধর্ম এই অমানবিক অত্যাচার নিষেধ করেছে এবং নারীদেরকেই তার প্রাপ্য মর্যাদা প্রদান করেছে।

এসব অত্যাচার থেকে নারীদেরকে বাঁচাতেই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন যে ব্যক্তির তিনটি মেয়ে সন্তান থাকে অথবা তিনটি বোন অথবা দুইটি মেয়ে সন্তান বা দুইটি বোন থাকে।

আর তাদেরকে যদি সঠিক ভাবে ইসলামের পথে লালন-পালন করে। এবং তাদের ভিতর আল্লাহর ভয় রেখে সে অনুযায়ী তাদের পরিচালিত করে।

তার আবাসন রয়েছে চিরস্থায়ী জান্নাতে। মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাঃ নারীদেরকে রক্ষা করতে এই হাদীসটি সবার সামনে উপস্থাপন করেছেন।

তাদেরকে লালন পালন করে বড় করার জন্য। অন্য এক হাদীসে রাসূল সাঃ ইরশাদ করেন যে ব্যক্তির তিনটি সন্তান থাকবে।

আর সে যদি তাদেরকে কষ্ট করে লালন পালন করে। এবং তাদের ভরণপোষণ করে। ঐ কঠিন কেয়ামতের দিন ওই মেয়ে সন্তান তার জাহান্নামের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াবে।

এই হাদিস গুলো বলার পর তখনকার যুগে কন্যা সন্তানের প্রতি কিছুটা অত্যাচার কমে যায়। তারপর রাসূল সাঃ ইসলাম আরো ইরশাদ করেন, আমি তোমাদের গুরুত্বতার সাথে আদেশ করছি যে, তোমরা মেয়েদের সঙ্গে ভালো  আচরণ করো।

তখনকার সময়ে নারীদেরকেই শুধু ভোগের সামগ্রী হিসেবে গণ্য করা হতো। কিন্তু ইসলামে নারীদের কে সর্বোচ্চ সম্মান ও মর্যাদা দিয়েছে।

রাসূল সাঃ আরও বলেন যে, মায়ের পায়ের তলে রয়েছে সন্তানের বেহেশত। যাতে নারী জাতির প্রতি অত্যাচার না করা হয়।

তাই আমরা উপরিউক্ত হাদীসগুলো থেকে বুঝতে পারি যে, ইসলামে নারীর যথাযথ সম্মান দেওয়া হয়েছে। 

আশা করি ইসলামের দৃষ্টিতে পর্দার হুকুম ও নারীর মর্যাদা জানতে পেরেছেন।  এবং আমাদের ফেসবুক পেইজে যুক্ত হোন। 

Leave a Reply

Your email address will not be published.